মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

নাগরিকের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নিলে রাষ্ট্রেরও সার্বভৌমত্ব থাকে না: সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশের নাগরিকের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নিলে রাষ্ট্রেরও সার্বভৌমত্ব থাকে না।

তিনি বলেন, সরকার একটা নির্বাচন নির্বাচন খেলা আয়োজন করতে চায়। সবাইকে বলবে আসেন নির্বাচন করি। আমরা ইভিএম এনেছি, স্বচ্ছ ব্যালট এনেছি।  তারপর সবকিছু চলবে, কিন্তু নির্বাচনের দিন আপনি আর ভোট দিতে পারবেন না। নির্বাচন নির্বাচন খেলা চলবে কিন্তু মানুষের ভোটের অধিকার থাকবে না।

শুক্রবার  বিকেলে গণসংহতি আন্দোলনের দুই দশক ও রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের সাত বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, আমরা গত সাত বছর ধরে এ দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য লড়াই করে আসছি। আর এ সরকার কী করছে, বলছে, তারা যে ফ্যাসিবাদ কর্তৃত্ববাদ কায়েম করছে, এটাই নাকি চিরস্থায়ী থাকবে। এই হচ্ছে বাংলাদেশের অবস্থা। এই অবস্থা যদি চলে এই দেশের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। যে দেশের নাগরিকের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেয়া হয়েছে, সেখানে রাষ্ট্রেরও সার্বভৌমত্ব থাকে না।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে প্রতিটি প্রকল্প থেকে লুটপাট করে তারা বিদেশে পাচার করছে। দশ লাখ কোটি টাকার ওপরে তারা পাচার করেছে। বিভিন্ন দেশে তারা সেকেন্ড হোম তৈরি করেছে। কোন কোন দেশে তারা একেকটি জেলা কিনে ফেলছে। একদিন বিপদে পড়তে পারে এ ভয়ে তারা আগেভাগেই সব ব্যবস্থা করে রাখছে। যদি এবার টিকে যায় এ দেশকে লুটেপুটে ফোকলা বানিয়ে দেবে, দেউলিয়া বানিয়ে দেবে। এরা শ্রীলঙ্কার মতো দশা করবে বাংলাদেশের। আর এখন যখন কথায় কথায় হুমকি দিচ্ছে।

গণতন্ত্র মঞ্চের এ শীর্ষ নেতা বলেন, সরকার হুমকি দিচ্ছে মানে তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই। তাদের ধাক্কা মারলেই পড়ে যাবে। এ সরকারের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয়। আমাদের সম্মিলিতভাবে লড়তে হবে। সব বিরোধী দল যার যার অবস্থান থেকে আসুন বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলি। যার যার অবস্থান থেকে একটি অভিন্ন লক্ষ্যে লড়তে হবে।

অনুষ্ঠানে গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, এ সরকার হচ্ছে মানুষকে লাথি মারা, মানুষের জবান কেড়ে নেয়ার, টাকা পাচার করার, মিথ্যা কথা বলার, মানুষকে ভয় দেখানোর সরকার। এক কথায় এ সরকার একটা জালেম সরকার। তারা ভয় দেখিয়ে মানুষকে চাপা দিয়ে রেখেছে।

দুর্ভিক্ষ খাদ্যের অভাবে হয় না-গণতন্ত্রের অভাবে হয় উল্লেখ করে রুবেল বলেন, আমাদের দেশ নাকি সিঙ্গাপুর হয়ে যাচ্ছে। আজকে প্রধানমন্ত্রী দুর্ভিক্ষের কথা বলছেন। এখন বিদ্যুৎ নাই। দুর্ভিক্ষ খাদ্যের অভাবে হয় না, এটা গণতন্ত্রের অভাবের কারণে হয়। লুটপাট ও পাচারের কারণে আজকাল বাংলাদেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাংলাদেশকে দুর্ভিক্ষ থেকে বাঁচতে হলে এই সিন্ডিকেটের সরকারকে ভাঙতে হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমী, মনির উদ্দীন পাপ্পু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দীপক রায়, তরিকুল সুজন প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com